২০ লাখ টাকায় ‘বাবাকে খু’নের প্রতিশোধ’ সন্তানদের ( ভ’য়ংকর কাহিনী)

রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ৩২ বছর আগে আবদুস সাত্তার তালুকদারকে গ’লা কে’টে হ’ত্যা’ করা হয়। তাঁর বি’রুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহানসহ ১২টির বেশি হ’ত্যা’ মা’মলা ছিল। আইয়ুবের ‘ভ’য়ে’ কেউ মুখ খুলতে পারতেন না। কিন্তু সাত্তার হ’ত্যা’র প্রতি’শোধ নিতে চেষ্টায় থাকেন তাঁর সন্তানেরা। ২০ লাখ টাকায় চুক্তি করেন ভাড়াটে খু’নি’দের সঙ্গে। এরপর গত বছরের অক্টোবরে গু’লি’ করে হ’ত্যা’ করা হয় আইয়ুব বাহিনীর প্রধানকে।

গ্রে’প্তা’র পাঁচ আ’সামির স্বীকারোক্তিমূলক জবা’নবন্দি ও পু’লিশ ব্যুরো অব ইন’ভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদ’ন্তে উঠে আসে আইয়ুব হ’ত্যাকা’ণ্ডে’র এই তথ্য।

গ্রে’প্তার পাঁচজন হলেন—আবদুল আজিজ, মো. আজিম, আবদুল জলিল, মো. রুবেল ও মো. মহিন উদ্দিন। ‍গত কয়েক দিন জেলার রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় টানা অভি’যান চালিয়ে তাঁদের গ্রে’প্তা’র করে পি’বিআই। গতকাল সোমবার তাঁরা আইয়ুব হ’ত্যা’র সঙ্গে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহীদুল্লাহ কায়সারের আদালতে জবানবন্দি দেন।

গত বছরের ৫ অক্টোবর রাঙ্গুনিয়ার আলমশাহপাড়া এলাকায় আইয়ুব বাহিনীর প্রধান আইয়ুবকে গু’লি’ করে হ’ত্যা’ করা হয়। এই ঘটনায় তাঁর স্ত্রী জাহেদা বেগম বাদী হয়ে মা’ম’লা করেন। শুরুতে মা’মলা’টি ত’দ’ন্ত করে রাঙ্গুনিয়া থানা-পু’লিশ। কিন্তু তারা কিছু করতে না পারায় পিবিআই গত মাসের শেষের দিকে মা’মলা’টির ত’দন্ত শুরু করে।

পিবিআই চট্টগ্রামের অ’তিরি’ক্ত পু’লিশ সুপার মো. রেজাউল করিম মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ৩২ বছর আগে (১৯৮৭) আবদুস সাত্তার তালুকদারকে খু’নের ঘটনায় তাঁর দুই ছেলে মো. মহসিন ও মো. হাছান প্র’তিশো’ধ নিতে এক ভা’ড়া’টে (প’লা’তক) খু’নি’র সঙ্গে চু’ক্তি করেন। এটি হয় ২০ লাখ টা’কায়। চু’ক্তিম’তো আইয়ুবকে খু’ন করা হয়। পিবিআইয়ের হাতে গ্রে’প্তা’র পাঁচজন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। জ’ড়িত অন্যদের ধর’তে অ’ভিযান চলছে।

মা’ম’লার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রামের পরিদর্শক মোজাম্মেল হক বলেন, আইয়ুব হ’ত্যাকা’ণ্ডে ছয়জন অংশ নেন। আর পরিকল্পনায় ছিলেন আরও ছয় থেকে সাতজন। আইয়ুব হ’ত্যা’ মা’মলা’য় আবদুস সাত্তারের ছেলে মো. মহসিন ও মো. হাছানও এজাহারভুক্ত আ’সা’মি।

পু’লিশ জানায়, রাঙ্গু’নিয়ার আইয়ুব বা’হিনীর প্রধান মো. আইয়ুবের বিরু’দ্ধে ১২টি মা’ম’লা ছিল। আবদুস সা’ত্তার হ’ত্যা’ মা’মলা’ ছাড়াও তাঁর বিরু’দ্ধে ১৯৯১ সালে মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহান, ১৯৮৫ সালে সাবেক মে’জর আবদুল ওয়াদুদ, ১৯৮৬ সালে মেহেরুজ্জামান, একই সালে গফুর, ১৯৯২ সালে নুরুল ইসলাম ‘হ’ত্যা’ মা’ম’লা উল্লেখযোগ্য। ১৯৯১ সালে মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহান হ’ত্যা’কা’ণ্ডে আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার সময় তাঁর দুই ছেলে মো. কবির ও মো. সবুরকে রাস্তায় আ’ট’কে প্র’কা’শ্যে খে’জুর কাঁ’টা দিয়ে চো’খ উপ’ড়ে ফেলেন আইয়ুব।

prothomalo

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *