স্ত্রী’র স’ঙ্গে শা’রীরিক স’ম্পর্কের লো’ভ দেখিয়ে ডেকে এনে খু’ন!

স্ত্রী’কে শ্লী’লতাহানির চেষ্টা। আর এ থেকে আ’ত্মরক্ষার্থে খু’ন করা হয় ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে। রাজধানীর ভাটারা এলাকায় একটি হ’ত্যা’কা’ণ্ডে’র সঙ্গে জ’ড়িত অ’ভিযোগে গ্রে’ফ’তার এক দম্পতির বর্ণনা ছিল এমনই। তবে পুলিশি তদন্তে বের হয়ে আসে নারীর লো’ভ দেখিয়ে বাসায় ডেকে এনে টাকা আদায় করাই ছিল এই দম্পতির পেশা। টাকা আদায় নিয়ে দ্ব’ন্দ্বে’র জেরে খু’ন করা হয় সাইফুলকে।

সম্প্রতি রাজধানীর ভাটারা এলাকার একটি বাসা থেকে উদ্ধার হয় ব্যবসায়ী সাইফুলের লা’শ। ঘটনার পর থেকেই প’লা’তক ছিল বাসার তরুণ ভাড়াটিয়া দম্পতি। রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রে’ফ’তার হয় আপেল-শান্তা দম্পতি।

পূর্বপরিচিত সাইফুল তাদের বাসায় বেড়াতে এসে শান্তার সঙ্গে অ’নৈতিক কাজের প্র’স্তা’ব দেয়। এতে বাধা দিলে শান্তাকে ছু’রি’কা’ঘা’ত করে সাইফুল। কে’টে যায় শান্তার পা। ধ’স্তা’ধ’স্তি’র এক পর্যায়ে মদ্যপ সাইফুল নিজের ছু’রি’র আ’ঘা’তেই মা’রা যান।

শান্তার পায়ে আ’ঘা’তের চিহ্ন দেখে বিশ্বাস করতে চান গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও। কিন্তু কোথায় যেন একটু দ্বি’ধা থেকে যায়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সব স্বীকার করেন আপেল শান্তা দম্পতি। শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়ে সাইফুলকে ডাকা হয় বাসায়। কিন্তু বাসায় আসার পর সাইফুলের জামা কাপড় খুলে নেন আপেল ও তার বন্ধুরা। দাবি করা হয়, মোটা অংকের টাকা। সাইফুল চি’ৎকা’র চেঁ’চা’মে’চি শুরু করলে ছু’রি’কা’ঘা’ত করে আপেল। সেই আ’ঘা’তে’র একটি এসে লাগে শান্তার পায়ে।

শান্তা বলেন, আমাকে শারীরিক সম্পর্কের করার কথা বলে আমাকে ফোন দিতে বললে, আমি সাইফুলকে ফোন দেই।

আপেল বলেন, সে যখন পড়ে যায়, তখন তার মুখে ওড়না গু’জে দেই। তার ধ’স্তা’ধ’স্তির এক সময় আমার হাতের ছু’রি’তেই আ’ঘা’ত লাগে আমার স্ত্রীর।

গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, ঘটনার পরদিন সকালে বাসা থেকে পা’লি’য়ে যাওয়ার সময় ৩০০ ফুট সড়ক এলাকায় একটি সেতুর নিচে ছু’রি’টি ফেলে যায় শান্তা। তার দেখানো মতে, উদ্ধার করা হয় ছু’রি’টি। শান্তার কললিস্ট পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১৫ দিনে ৬ হাজার ফোন করেছে সে। এ থেকেই বোঝা যায় ফোন করে ব্ল্যা’কমেইল করাই ছিল তাদের পেশা।

গোয়েন্দা বিভাগ উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, বিভিন্ন মানুষদের নে’শা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে, টাকা পয়সা নিয়ে নিত।

বাবার এমন নি’র্ম’ম পরিণতিতে ব্যথিত কন্যা দাবি করলেন সুষ্ঠু বি’চার।

সাইফুলের মেয়ে বলেন, আমার বাবা নি’র্দো’ষ ছিল। আমি এর সুষ্ঠু বি’চার চাই।

এ ঘটনার জ’ড়িত রাফি নামে আরো এক যুবককে গ্রে’ফ’তারের চেষ্টা চলছে বলে জানায় গোয়েন্দা পুলিশ।

somoynews

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *