গোমুত্রে ভেজাল খাসিমূত্র মিশানোতে গণপি’টুনি খেলো ভারতের মূত্র ব্যবসায়ী শ্যামল দাশ

গোটা বিশ্ব এখন করো’নাভাইরাসের আ’তঙ্কে ভু’গছে। এই ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের জোরালো চেষ্টা চালাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন বিজ্ঞানী ও গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রে এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে,

কিন্তু এরই মধ্য বিভিন্ন সুবিধাবাদী হোমিওপ্যথিক ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রাস্তার ক্যম্বাসার পর্জন্ত এই ক’রনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন অগ্রিম বিক্রি করা সুরু করে দিয়েছে, অনেকে এই ভাইরাসের প্রতিষেধক স্বপ্নে পেয়েছে বলেও দাবি করে।

এসব বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার মধ্যে ভারতে বিজে’পির একদল নেতা দাবি করছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গোমূত্র কার্যকর। এই দাবি নিয়ে তাঁরা প্রচারে নেমেছেন।এটা খেলে ভাইরাস শরীরে প্রভাব ফেলবে না ৷’

এই বিশ্বাসেই সমস্ত নে’তাকর্মীরা গোমূত্র পান করেন ৷ এলাকার মানুষের মধ্যেও বিলোনো হয় ৷

এতে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় গোমূত্র বিক্রি ও পানের হিড়িক পড়েছে। প্রতি ২৫০ গ্রাম গোমূত্র বিক্রি হচ্ছে ৫০০ (পাঁচশত) টাকার উপরে। কিন্তু কোন ভাবেই গোমূত্রের চাহিদা মিটানো যাচ্ছেনা, সারাদেশ গোমুত্রের সংকটে পড়েছে। গরুকে প্রচুর পানি খাওয়ানোর পরেও গরু যথেষ্ট পরিমান মুত্র দিচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন গোমূত্র ব্যবসায়ীরা। কিন্তু কাস্টমার হাতচাড়া করতে চাচ্ছেন না কোন ব্যবসায়ী।

এরমধ্য এক গোমূত্র ব্যবসায়ীর নামে (শ্যামল দাশ-৩০) গোমূত্রের সাথে খাসির মুত্র মিসিয়ে বিক্রি করার অভি’যোগ তোলে এলাকাবাসী। শ্যামলকে এ ব্যপারে জিজ্ঞাসাবাদের পর শ্যামল বিষয়টি পুরোপুরিভাবে অস্বীকার করেন এবং ব্যবসায়িক রাজ’নৈতিক প্রতিহিং’সা বলে দ্বাবি করেন।

কিন্তু এলাকাবাসী নাচাড়বান্দা, এলাকার প্রতিটি আমলা , কামলা, আবাল, মফিজ সবাই গোপনে চোখ রাখে শ্যামল দাশের কার্যকলাপের উপর। এবং হাতেনাতে শ্যামল দাসকে গোমূত্রে খাসির মুত্র এবং পানি মিশাতে দেখে।

তারপর এলাকাবাসী ক্ষু’ব্দ হয়ে শ্যামল দাসকে ধরে গণ’পি’টুনি দেয়। এবং যারা যারা শ্যামল দাশ এর থেকে গোমুত্র ক্রয় করে পান করেছে, তারা মনে মনে ভাবছে শ্যামল দাশ আর কি কি মিসিয়েছে এ গোমূত্রে কে জানে।

আপনার কি মনে হয় শ্যামল আর কি কি মিশাতে পারে গোমূত্রে?
thedaynightnews

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *