মুক্তিপণ না পাওয়ায় মাদ্রাসাছাত্র খু’ন, খালাতো ভাইসহ আ’ট’ক ২

অ’পহ’রণের পর দাবি’কৃত ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে কক্সবাজারের পেকুয়ায় আরাফাত (৮) নামে এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শি’শুকে নি’র্মমভাবে খু’ন করেছে অ’পহ’রণকারীরা। শনিবার রাত ৮টার দিকে মগনামা ইউনিয়নের নাপিতারদ্বিয়া এলাকা ফসলি জমি থেকে তার ম’রদেহ উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। গত বৃহস্পতিবার বিকালে শি’শু আরাফাত নিজ এলাকা থেকে অ’পহ’রণের শিকার হয়। এ ঘটনায় নি’হতের আপন খালাতসহ দুইজনকে আ’ট’ক করেছে পু’লিশ।

নি’হত আরাফাত পেকুয়া উপজে’লার বারবাকিয়া ইউনিয়নের কাদিমাকা’টা গ্রামের ওমান প্রবাসী রুহুল কাদেরের ছে’লে ও বারাইয়াকা’টা নুরানী মাদ্রাসার ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় পু’লিশ শুক্রবার অ’ভিযান চালিয়ে ঘটনায় জ’ড়িত স’ন্দেহে দুইজনকে আ’ট’ক করে। আ’ট’ককৃরা হলেন, মগনামা মিয়াজীপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছে’লে আব্দুল কাদের (১৬) ও একই ইউনিয়নের দরদরীঘোনা গ্রামের আবু তাহেরের ছে’লে রায়হান (১৮)। এদের মধ্যে রায়হান নি’হত আরাফাতের আপন খালাতো ভাই।

পু’লিশ সুত্র জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর বিকালে বাড়ি থেকে বের হয় আরাফাত। আব্দুল কাদের, রায়হানসহ আরও কয়েকজন তাকে অ’পহ’রণ করে সিএনজিতে নিয়ে যায়। পরে রাতে আরাফাতের খালা গোলতাজ বেগমকে অ’পহ’রণের কথা জানায় তারা। গোলতাজ বেগমের মাধ্যমে অ’পহ’রণের খবরটি আরাফাতের মায়ের কাছে পৌঁছায়। এ সময় অ’পহ’রণকারীরা ১০লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে মুক্তিপণের বিষয়টি পু’লিশ অবগত হলে অ’ভিযান চালিয়ে পেকুয়া সদরের মাতবরপাড়া গ্রাম থেকে সকালে আব্দুল কাদেরকে আ’ট’ক করে। পরে দুপুরে রায়হানকে মগনামা দরদরীঘোনা থেকে আ’ট’ক করে।

পেকুয়া থা’নার পু’লিশ পরিদর্শক কাম’রুল আজম জানান, চাঁদার দাবিতে শি’শু আরাফাতকে নিষ্ঠুরভাবে হ’ত্যা করা হয়। মগনামা নাপিতারদিয়া ধানি জমি থেকে শি’শুর ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গলা টিপে হ’ত্যা করে জমিতে ফেলে রাখা হয়েছে। অ’পহ’রণের দিন বা রাতের যেকোনো সময়ে তাকে হ’ত্যা করেছে অ’পহ’রণকারীরা।

তিনি আরও জানান, আ’ট’ককৃতদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অ’পহৃত আরাফাতকে উ’দ্ধারের জন্য অ’ভিযানে যায় পু’লিশ। তারা একেক সময় একেক ম্যাসেজ দিয়ে পু’লিশকে বি’ভ্রান্ত করে। অ’পহ’রণকারী রায়হানের আপন খালাতো ভাই আরাফাত। টাকার জন্য আপন খালাতো ভাইকে অ’পহ’রণ করে নিষ্ঠুরভাবে হ’ত্যা করে তারা। এ ব্যাপারে মা’মলার প্রস্তুতি চলছে। পেছনে আরও কারা কারা রয়েছে তা বের করতে কাজ করছে পু’লিশ।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *