‘বুলবুল’র তা’ণ্ডবে তিন জে’লায় ৪ জনের মৃ’ত্যু

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র তা’ণ্ডবে তিন জে’লায় ঘর ও গাছচাপা পড়ে নারীসহ চার জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এর মধ্যে খুলনায় দুই জন, পটুয়াখালী ও বরগুনায় একজন করে।

এছাড়া ঝড়ে কয়েক হাজার ঘরবাড়ি বি’ধ্বস্ত হয়েছে, কয়েকটি স্থানে বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং বিপুলসংখ্যক গাছ উপড়ে পড়েছে।রোববার (১০ নভেম্বর) ভোর রাত ও সকালে ঝড়ের সময় এসব ঘটনা ঘটে।শনিবার (৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত থেকে এ সব জে’লায় ঘূর্ণিঝড়ের তা’ণ্ডব শুরু হয়।

নি’হতরা হলেন-পটুয়াখালীর মির্জাগ‌ঞ্জের উত্তর রামপুরা গ্রা‌মের হামেদ ফকির (৬০), খুলনার দাকোপ উপজে’লার দক্ষিণ দাকোপ গ্রামের সুভাষ মণ্ডলের স্ত্রী’ প্রমিলা মণ্ডল (৫২), খুলনার দিঘলিয়া উপজে’লার সেনহাটি গ্রামের আলমগীর হোসেন (৩৫) ও সদর উপজে’লার বানাই গ্রামের হালিমা খাতুন (৬৬)।মির্জাগঞ্জ থা’নার ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) শওকত আনোয়ার হামেদ ফকির মৃ’ত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেনএদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পটুয়াখালীর কুয়াকা’টা সমুদ্র সৈকতে কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাশাপাশি রাঙ্গাবালী উপজে’লার চালিতাবুনিয়ায় ভাঙা বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে।

অ’পরদিকে খুলনার দাকোপ উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) আবদুল ওয়াদুদ বাংলানিউজকে জানান, রাতে প্রমীলা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারে ছিলেন। সকাল ৯টা-সাড়ে ৯টার দিকে নিজের বাড়িতে যান তিনি। সেসময় একটি গাছ তার ওপরে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃ’ত্যু হয়।এদিকে দিঘলিয়া থা’নার ওসি মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, দিঘলিয়া উপজে’লার সেনহাটি গ্রামে সকাল ৯টার দিকে বাসার পাশে অবস্থান করছিলেন আলমগীর হোসেন।

এসময় একটি সজনে গাছ ভেঙে তার ওপরে পড়লে আ’হত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উ’দ্ধার করে প্রথমে দিঘলিয়া উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃ’ত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, একই গ্রামে গাছ পড়ে আবদুর রহমান নামে এক ব্যক্তি আ’হত হয়েছেন।এছাড়াও বরগুনা সদর উপজে’লার ৯ নম্বর এম. বালীয়াতলী এলাকার ডিএন কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে হালিমা খাতুন (৬৬) নামে এক বৃদ্ধার মৃ’ত্যু হয়েছে। তার বাড়ি সদর উপজে’লার বানাই গ্রামে।বরগুনা সদর উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা আনিচুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হালিমা খাতুন নামের ওই নারী অ’সুস্থতার কারণে মা’রা গেছেন।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *