চীনে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে ক’টাক্ষ আনন্দবাজার পত্রিকার

বাণিজ্যিক লগ্নি আর খয়রাতির টাকা ছড়িয়ে বাংলাদেশকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা নতুন নয় চীনের।

লাদাখে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত-সংঘর্ষে উত্তাপ ছড়ানোর পরে ফের নতুন উদ্যমে সে কাজে নেমেছে বেইজিং। এমন দাবি করে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, লাদাখের ঘটনার পরে ঢাকাকে পাশে টানছে বেইজিং।

শনিবার (২০ জুন) তাদের অনলাইনে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বাংলাদেশের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা ঘোষণা করেছে চীন। তাতে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া অতিরিক্ত ৫১৬১টি পণ্যে শুল্ক না নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

এর ফলে বাংলাদেশ থেকে চীনে রফতানি হওয়া পণ্যের ৯৭ শতাংশকেই শুল্ক মুক্তির সুবিধা দিল বেইজিং। জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকে নতুন সিদ্ধান্তটি কার্যকর হতে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ একমাত্র প্রতিবেশী দেশ, নানা টানাপড়েন সত্ত্বেও যাদের সঙ্গে ভারতের একটা পরীক্ষিত সুসম্পর্ক রয়েছে।

দক্ষিণে শ্রীলঙ্কা-মালদ্বীপ থেকে উত্তরে নেপাল-ভুটান, কারও সঙ্গেই আর আগের উষ্ণ সম্পর্ক নেই ভারতের।

কূটনীতিকদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি বলছেন, এই পরিস্থিতির পেছনে চীনের হাত স্পষ্ট। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক বিষিয়ে দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় দেশ ভারতকে একঘরে করে ফেলার কৌশল বাস্তবায়িত করছে বেইজিং। কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ তাদের নিশানা।

এখানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন তারা লগ্নি করেছে, দেশের গ্রামীণ বাজারগুলিতেও পণ্যের পসরা নিয়ে হাজির হচ্ছে চীনা বণিকেরা। ঢাকার প্রধান শেয়ার বাজারটিও তাদের কব্জায়।

আগে থেকেই এশিয়া প্যাসিফিক ট্রেড এগ্রিমেন্ট (আপটা)-র আওতায় ৩০৯৫টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে বাংলাদেশ। এ বার সব মিলিয়ে ৮২৫৬ পণ্যকে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিল চীন।
somoynews

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *