Breaking News

ধ’র্ষ’ণের সময় চি’ৎকার করায় শি’শুকে গলা’টি’পে হ’ত্যা

নেত্রকোনার বারহাট্টায় মণি আক্তার (১২) নামে এক শি’শুকে ধ’র্ষ’ণের পর ‘হ’ত্যা ঘ’টনায় সুলতান নামে এক যুবককে গ্রে’ফ’তার করেছে পু’লিশ।

ধ’র্ষ’ণের সময় গলা টি’পে হ’ত্যা করে বাড়ির পাশের একটি জ’ঙ্গলের গ’র্তে ফেলে রাখা হয় ওই শিশুর লা’শ। গত ১ মে হাত-পা বাঁ’ধা অবস্থায় গ’র্ত থেকে শিশুটির লা’শ উ’দ্ধার করা হয়।

এ ঘ’টনায় সুলতান নামের ওই যুবককে গ্রে’ফ’তার করলে সে ঘ’টনার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা পু’লিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী। মঙ্গলবার বিকেলে পু’লিশ সুপার কার্যালয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

গ্রে’ফ’তার সুলতান উদ্দিন (২৫) বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুর রাশিদের ছেলে। গ্রে’ফতারের পর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ঘ’টনায় জ’ড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে সে।

নি’হ’ত মণি আক্তার বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামের আব্দুল মন্নাফের মেয়ে। সে একই গ্রামের পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নি’হ’ত মণি আক্তার ও তার কয়েকজন সহপাঠী মিলে প্রতিদিনের মতো পাশের নয়পাড়া গ্রামের তালেব আলীর কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। গত ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে মণি বাড়ি থেকে বের হয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষকের বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। মণি বাড়িতে না আসায় দুপুরে পরিবারের লোকজন খোঁ’জাখুঁজি করে ব্য’র্থ হয়ে রাতে স্থানীয় ফকিরের বাজারে অবস্থিত পু’লিশ ফাঁড়িতে সংবাদ দেয়।

পরদিন শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টায় স্থানীয়রা একই গ্রামের মান্দারতলা এলাকায় একটি বাড়ির পেছনে জ’ঙ্গলের গ’র্তে হাত-পা বাঁ’ধা অবস্থায় মনির লা’শ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পু’লিশ লা’শ উদ্ধার করে। এ ঘ’টনায় পরদিন শিশুটির বাবা আব্দুল মন্নাফ বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় অ’জ্ঞাতনামাদের আসামি করে মা’মলা দায়ের করে।

ওইদিন পু’লিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী, অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার (প্রশাসন) পু’লিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত এসএম আশরাফুল আলম, বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমানসহ পু’লিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা ঘ’টনাস্থলে গিয়ে ঘ’টনার তদন্ত শুরু করেন।

নেত্রকোনার অ’তিরিক্ত পু’লিশ সুপার (পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার) এসএম আশরাফুল আলম জানান, ঘ’টনার পর চারদিন ধরে বিষয়টি তদন্ত করি। বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘ’টনায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে সুলতানকে গ্রে’ফতার করা হয়।

তাকে গ্রে’ফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, ‘৩০ এপ্রিল সকালে মণি আক্তার প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তাকে দেখে সে ওৎ পেতে থাকে। মণি প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে তাকে ডেকে ঘ’রে নিয়ে যায় সুলতান। সেখানে ধ’র্ষ’ণের সময় চি’ৎকার করলে গ’লা টি’পে ধরায় মণির মৃ’ত্যু হয়। এরপর নি’হ’ত মণিকে কাপড় দিয়ে ডেকে রেখে দেয় সুলতান। ওইদিন সন্ধ্যার পর শিশুটিকে বাড়ির পাশের জ’ঙ্গলে ফেলে রেখে সে শ্বশুরবাড়ি দশধার গ্রামে চলে যায় এবং সেখানেই অবস্থান করে।’

পরে সুলতানকে সোমবার দিবাগত রাতে দশধার গ্রামে শ্বশুরবাড়ির পাশ থেকে গ্রে’ফতার করে পু’লিশ। ঘ’টনার পর জি’জ্ঞাসাবাদে সুলতান মণিকে ধ’র্ষ’ণ ও হ’ত্যা’র বিষয়টি স্বীকার করে।

jagonews24

About admin

Check Also

ঘরের বাইরে মাস্ক পরিধানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা বিস্তার প্রতিরোধে ঘরের বাইরে মাস্ক পরিধানের জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *