Breaking News

জা’পানে তিন ভাই তিন ম’সজিদের ই’মাম

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজে’লার চাপ গ্রামের ক্বারী বেলাল হোসাইনের দুই ছে’লে এবং মে’য়ে জামাই জা’পানের তিনটি ম’সজিদে নামাজ পড়ান। মাওলানা শরাফাতুল্লাহ নদভী ইস’লামী স্কলারস হিসেবে জা’পানের টোকিও ওসাকা সাইতামা, গামো এলাকাতে ম’সজিদের ই’মাম হিসেবে কর্ম’রত আছেন।

ঢাকা জামিআ রাহমানিয়া মাদরাসা হতে দাওরায়ে হাদিস মাস্টার্স করেন মাওলানা শরাফাতুল্লাহ নদভী। এরপর ১৯৯৬ সালে ভারতের লক্ষনো তিন বছর আল্লামা আবুল হাসান আলি নদভী (রহ.) নিকট আরবী সাহিত্য ও আলামিয়াত ডিগ্রি অর্জন করেন।

দারুল এহসান ইউনিভার্সিটি হতে অনার্স ও মাস্টার্স করেন প্রথম বিভাগে। এরপর বাংলাদেশ হতে প্রথম স্থান অর্জন করে মিশরের জামিয়া আজহারে গমন করেন। সেখান থেকে হায়ার ডিপ্লোমা করেন দাওয়াত ও আরবি ভাষায়, ১৯৯৯ সাল হতে মাদরাসাতুল হুদা ঢাকার শিক্ষাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

মাওলানা শরাফাত উল্লাহ্ নদভী বিশ্বের প্রায় ২৫টি দেশ ভ্রমণ করেন এ্ং বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। তুরস্কের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পবিত্র কাবার গিলাফ হাদিয়া পান তিনি।

হাফেজ মাওলানা আরাফাতুল্লাহ দুই বছর যাবত জা’পানের মিসাতু সাইতামা জামে ম’সজিদের ই’মাম ও খতিব হিসেবে কর্ম’রত আছেন। বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে ইন্টারভিউর মাধ্যমে উত্তীর্ণ হন। এবং জা’পান ব্যবসায়ী কমিটির আমন্ত্রণে জা’পানের ভিসা পেয়ে ওখানে যান।

শরাফত উল্লাহ্ বলেন, জা’পানে সবাই হাফেজ-আলেম’দেরকে সম্মান করেন। অমু’সলিম’রাও সম্মান করেন। জা’পান একটি সাজানো-গোঁছানো পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন দেশ। তার স্বপ্ন বাংলাদেশের জনগণও সচেতন হলে এমন একটি পরিচ্ছন্ন দেশ হবে। তিনি এখানে চারটি ভাষায় দাওয়াতি কাজ করেন। সবচেয়ে খুশির বিষয় হল দুইজন অমু’সলিমকে তিনি কালেমা পড়িয়ে ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণ করান।

১৯৯৪ সালে জামিআ আশরাফিয়া মাহমুদিয়া সেরাজাবাদ মাদরাসা, টংগিবাড়ী, মুন্সিগন্জ থেকে কোরআনের হাফেজ হন। কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ দাওরায়ে হাদীস পাস করেন।

হাফেজ মাওলানা শরাফত উল্লাহ্ ও আরাফাত উল্লাহর ভগ্নিপতি হাফেজ মাওলানা মুফতি হাবিব আহমাদ খান ইকবাল। একই জে’লার টঙ্গিবাড়ি উপজে’লার ঘাশিপুকুর গ্রামের মৃ’ত হাবিবুর রহমান খানে ছে’লে।

যাত্রাবাড়ি জামিয়া মাদানিয়া বড় মাদরাসা হতে হিফজ সমাপন করেন ২০১০ সালে দাওরা পাস করেন। ২০১২ সালে ইফতা সম্পন্ন করেন, তার পরে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাতুল রুহামা’র মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করেন।

সুন্দর ও আকর্ষণীয় কোরআন তেলাওয়াতের অধিকারী মাওলানা হাবিব খান ২০১৩ সালে তারাবির নামাজ পড়ানোর জন্য জা’পান গমন করেন। তার পর থেকে স্থায়ীভাবে ই’মাম ও খতিব হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বর্তমানে টোকিও কামাতা ম’সজিদে ই’মাম খতিব হিসেবে আছেন এবং জা’পানের অনেক দাওয়াতি কাজে জ’ড়িত রয়েছেন।

About admin

Check Also

ঘরের বাইরে মাস্ক পরিধানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা বিস্তার প্রতিরোধে ঘরের বাইরে মাস্ক পরিধানের জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *