Breaking News

করো’না আক্রান্ত রোগীর সেবা করেও সুস্থ থাকবেন যেভাবে

করো’নাভাই’রাস আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে যন্ত্রণাদায়ক করে তুলেছে। সংক্রমণের ভয়ে প্রত্যেকেই সবসময় স্ট্রেসের মধ্যে থাকছেন। গবেষকরাও এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি নিয়ে যত তথ্য-উপাত্ত জানাচ্ছেন- তাতে ভীতি আরও বাড়ছে।
কোভিড-১৯ বিভিন্ন স্থানে কতক্ষণ সক্রিয় থাকে, সেটা সংক্রমণের হারেও প্রভাব ফেলে।

সংক্রমণ নিয়ে নতুন নতুন তথ্য পাওয়া গেলেও ভাইরাসটি ছড়ানোর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়া হলো- সংক্রমিত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে অন্যদের শরীরে করোনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আপনি হয়তো বাইরে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন। সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার এবং স্বাস্থবিধি মেনে সংক্রমণমুক্ত রয়েছেন।

তবে সংক্রমিত ব্যক্তি যদি আপনারই পরিবারের সদস্য হয়! এবং তার সেবা-যত্নের দায়িত্বও আপনার কাঁধে পড়ে; তাহলে কীভাবে সুরক্ষিত থেকে আপনি দায়িত্ব পালন করবেন? ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে তাদের প্রতিবেদনে দিক-নির্দেশনা তুলে ধরেছেন। চলুন জেনে নিই নিজেকে সুরক্ষিত রেখে যেভাবে সংক্রমিত ব্যক্তির সেবা করবেন।

স্থান ভাগ করে নেয়া
আপনার বাড়ির কেউ যদি করোনায় আক্রান্ত হয় তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এই কঠিন পরীক্ষার সময়, আপনাকে কেবল অসুস্থ ব্যক্তির যত্ন নিলেই হবে না বরং নিজেকে নিরাপদে রাখতেও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। সংক্রামিত ব্যক্তিকে আলাদা ঘরে রাখুন। এটি ভাইরাসের বিস্তার সীমাবদ্ধ করবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে- আক্রান্ত ব্যক্তিকে ভাল বায়ুচলাচল করে এমন ঘরে রাখা উচিত।

চারপাশে পরিষ্কার রাখুন
দূরত্ব বজায় রাখুন এবং জিনিসপত্র আলাদা করুন
করোনার সংক্রমণ নিশ্চিত হলেই প্রথম পদক্ষেপটি যতটা সম্ভব শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। যা একই বাসায় কঠিন হতে পারে। শুধুমাত্র শারীরিক দুরত্ব নয় বরং করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তি যে জিনিসগুলি স্পর্শ করছে সেগুলি থেকেও দূরে থাকতে হবে। আপনার শয়নকক্ষ, ওয়াশরুম এবং অন্যান্য গৃহস্থালী জিনিসপত্র আলাদা ব্যবহার করুন।

ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখুন
করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির থেকে দুরুত্ব বজায় রাখলেই কেবল সুরক্ষিত থাকা সম্ভব নয়। দুরুত্ব বজায় রাখার সাথে সাথে কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাও জরুরি। কেননা একটু অসেচতনতা আপনার জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। সুতরাং এই মুহুর্তে আপনার ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি হালকাভাবে নেবেন না।কোন কিছু স্পর্শের পরে আপনার হাতটি সঠিকভাবে ধুয়ে নিন এবং আপনার চারপাশ পরিষ্কার রাখুন। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিকে ওষুধ বা খাবার দিতে গেলে আপনার সুরক্ষার জন্য সর্বদা মাস্ক এবং গ্লাভস পরুন।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান
চারপাশে পরিষ্কার রাখুন
পরিচ্ছন্নতা আপনি এই সময়ে উপেক্ষা করতে পারবেন না। আপনার চারপাশটা যতটা সম্ভব জীবাণুমুক্ত করে রাখুন। ঘর পরিষ্কার রাখুন এবং জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন। আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল বা ব্লিচ সলিউশন স্যানিটাইজ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। ওয়াশরুমের দরজা, ফোন, রিমোট এই জিনিসগুলো সবাই স্পর্শ করে। তাই এই সমস্ত স্থানগুলো স্যানিটাইজ এবং জীবাণুমুক্ত করা জরুরি। দিনে কয়েকবার জীবাণুমুক্ত করলে ভাল হয়। যদি সম্ভব না হয় তবে দিনে কমপক্ষে দুইবার স্যানিটাইজ করুন।

About admin

Check Also

রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবে ডিম!

ডায়াবেটিস বর্তমান সময়ে একটি খুব সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *