Breaking News

উইকেট পেয়েই তাহিরের দৌড়, হুঁশ ফেরার পর দেখেন রাস্তায়

দক্ষিণ আফ্রিকার লেগ স্পিনার ইমরান তাহির উইকেট পেয়ে সবার চেয়েই একটু আলাদা উদযাপন করেন। প্রতিবারই উইকেট শিকারের পর লম্বা দৌড় দিয়ে প্রায় পুরো মাঠ চক্কর দিয়ে আসেন তিনি। একবার এভাবে দৌড়াতে গিয়ে মাঠ ছেড়ে রাস্তায় চলে গিয়েছিলেন এই প্রোটিয়া বোলার।

সম্প্রতি নিজেই সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন তাহির। জানিয়েছেন, প্রায় ১৫ বছর আগে ইংল্যান্ডে ক্লাব ক্রিকেটের একটি ম্যাচে উইকেট শিকারের পর আনন্দ উদযাপন করতে গিয়ে রাস্তায় চলে যান তিনি। হুঁশ ফিরে পেলে অবশ্য আবারো মাঠে ফেরত আসেন এই তারকা ক্রিকেটার।

এ ব্যাপারে তাহির বলেন, ‘আমি আমার এই উদযাপনকে নিখাদ প্যাশন বলি। জানি না এটা আমার মধ্যে কীভাবে এলো। প্রায় ১৫ বছর আগে ইংল্যান্ডের ক্লাব ক্রিকেটে দুর্দান্ত ক্যাচেএকটা উইকেট নেয়ার পর আমি সোজা মাঠের বাইরে চলে গিয়েছিলাম। হুঁশ ফিরে নিজেকে রাস্তায় আবিষ্কার করি। পরে সেখান থেকে আবার ফিরে আসতে হয়েছে।’

উদ্ভট এমন উদযাপনের কারণে স্বাভাবিকভাবেই অনেক মানুষের কাছে হাসির পাত্রে পরিণত হয়েছেন তাহির। তবে এসব ব্যাপার আমলে নিতে চান না পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই স্পিনার। এছাড়া উদযাপনের বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিত নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রোটিয়া লেগ স্পিনার বলেন, ‘মানুষজন আমার কাণ্ড দেখে হাসছিল। আমি জানি না, এটা হয়তো হাসিরই ছিল। তবে সত্য বলতে আমি সবসময় এমনই ছিলাম। আমি জানি না, মানুষ এটা কীভাবে নেয়। আসলে উদযাপনের ব্যাপারে তো কোনো পরিকল্পনা থাকে না। প্রতিটা উইকেটই সমান গুরুত্বপূর্ণ।’

তাহিরের বয়সে অনেক ক্রিকেটারই অবসর নিয়ে নেন। তবে এখনো প্রবল প্রতাপে খেলে যাচ্ছেন তিনি। যতদিন সামর্থ্য আছে ততদিন ক্রিকেট খেলে যেতে চান এই প্রোটিয়া লেগ স্পিনার।

তাহির বলেন, ‘আমার তো এই একটাই সুযোগ! তাহলে বেশিদিন খেলব না কেন? আমি ক্রিকেটে এসেছি পরিবার এবং নিজের জন্য অর্থ উপার্জন করতে। এখান থেকে যত বেশি সম্ভব অর্থ উপার্জন করতে হবে। আমি যদি কঠোর পরিশ্রম করতে পারি, তাহলে কেন নয়? যত দিন পারি আমি খেলব। পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার হিসেবে আমি নিজের ওপর গর্ব করতে চাই।’

About admin

Check Also

আলোচিত সেই সাহসী দৃশ্য নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন কিয়ারা

কিয়ারা আদবানীর সেই সাহসী দৃশ্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা ছিলো শীর্ষে। এই দৃশ্যের কারণে অনেকেই তার সাহসের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *