দুই মেয়ে আমার জীবন বদলে দিয়েছে: সাকিব

মাঠে ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন দেশের ক্রিকেটাররা। তবে সাকিব আল হাসানের জন্য ফেরার আকুতিটা একটু ভিন্ন। কেননা তার সময় কাটছে নিষেধাজ্ঞার প্রহর কবে শেষ হবে, এই ভাবনায়। খেলার বাইরে নানা সময় বিতর্কিত হয়েছিলেন সাকিব।

এসব বিতর্ক আর নিজের ভুলের কথা প্রতিনিয়তই মনে করেন তিনি। তবে তাঁর ভুল থেকে অন্যরা শিখবে, এমনটাই চাওয়া সাকিবের। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন সাকিব।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাকে নিয়ে বিতর্কটা দুই দিক থেকেই হয়ে হয়েছে। কখনও কখনও বিতর্ক আমার পিছু নিয়েছে, আবার কখনও নিজে থেকেই বিতর্ককে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমি অধিনায়কের দায়িত্ব পাই মাত্র ২১ বছর বয়সে। আমি তখন কিছু ভুল করেছি এবং মানুষ আমার ব্যাপারে অনেক কিছু ভাবতে শুরু করেছিল।

এখন আমার মনে হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে আমার ভুল ছিল এবং কিছু ক্ষেত্রে আমাকে ভুল বোঝা হয়েছিল। আমি সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছি। কেননা উপমহাদেশে এসব খুবই স্বাভাবিক বিষয়।’

সাকিব আরও বলেন, ‘আপনাকে সৎ হতে হবে। কারও সঙ্গেই মিথ্যা বলা ঠিক না এবং অন্য কিছু দেখানো উচিত না। যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। ভুল সবারই হয়। কেউ কখনো শতভাগ সঠিক হয় না। তবে দেখার বিষয়, আপনি কিভাবে ভুল থেকে ফিরে আসবেন। ভুল না করতে কিভাবে অন্যকে উদ্বুদ্ধ করবেন।’

সময়ের সঙ্গে বেশ পরিণত সাকিব। ক্যারিয়ারে বেশ লম্বা পাড়ি দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। এতটা সময় পেরিয়ে বুঝতে পেরেছেন জীবন এবং ক্রিকেটের নানান দিক। বদলে গেছে সাকিবের জীবনবোধ। আর এই বদলে যাওয়া পেছনে রয়েছে তার দুই মেয়ে।

জীবনকে পাল্টে দেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা আলায়না ও ইররামের বলে জানান বিশ্বের অন্যতম সেরা এ অলরাউন্ডার।

তিনি বলেন, ‘এখন যত পারি কম ভুল করার চেষ্টা করি। বিয়ে করেছি, দুটা বাচ্চা হয়েছে। আমি এখন জীবন এবং খেলা আরও ভালো বুঝতে পারি। বিশ বছর বয়সে আমি যেমন ছিলাম, তার চেয়ে অনেক বেশি শান্ত ও স্থির এখন। নিজেকে বদলে ফেলেছি অনেক। আমার দুই মেয়ে আমার জীবনটা পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।’

জুয়াড়ির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য গোপন করায় গত বছরের অক্টোবরে এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হন সাকিব। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর মাঠে ফিরতে পারবেন তিনি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন সাকিব
somoynews

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *